কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক
কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক জানতে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য উপযোগী। এখানে ডিমের পুষ্টিমান স্বাস্থ্যগত উপকারিতা ও কিছু ক্ষতিকারক দিক তুলে ধরা হয়েছে।
ডিম সবার প্রিয় খাদ্য, কোয়েল পাখির ডিম সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আকারে ছোট হলেও চাহিদা বিপুল, বিশেষত শীতকালে সব বয়সের মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী, স্বাস্থ্য রক্ষা ও শক্তি যোগায় প্রতিদিন।
সূচিপত্রঃ কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক
- কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ উপকারিতা
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
- কোয়েল পাখির ডিম একসঙ্গে কয়টি খাবেন
- কোয়েল পাখির ডিম কেন খাবেন
- কোয়েল পাখির ডিম কখন খাওয়া বেশি উপকার
- কোয়েলের ডিম কিভাবে খাবেন সিদ্ধ নাকি ভাজা
- কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকারক দিক
- কোয়েল পাখির ডিম কখন পাওয়া যায়
- কোয়েল পাখির ডিমের দাম
- শেষ কথা
কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ উপকারিতা
আমরা সবাই ডিম খেতে পছন্দ করি, তবে কোয়েল পাখির ডিমের স্বাদ একটু আলাদা ও বেশি উপভোগ্য। কোয়েল পাখির ডিমে যেমন প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে, তেমনি এই ডিম খাওয়ার উপকারিতাও অনেক। এবার আপনাদের জানাবো কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে। এই বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য জানতে আপনারা এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং জগতে আমার সবচেয়ে পছন্দনীয় সেক্টর হলো ডিজিটাল মার্কেটিং
ডিমের পুষ্টিগুণ
আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ডিমের চাহিদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারা বছর প্রায় প্রতিদিনই আমরা ডিম খেয়ে থাকি। তবে অন্যান্য ডিমের তুলনায় শীতকালে কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যায়। আকারে ছোট হলেও কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা রয়েছে প্রচুর। এখন জেনে নেওয়া যাক, কোয়েল পাখির ডিমে কী কী পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন রয়েছে-
কোয়েল পাখির ডিমে শর্করা, আমিষ (প্রোটিন) ও চর্বি বিদ্যমান। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন বি ১২ , ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এছাড়াও এতে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক ও ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান রয়েছে। এছাড়া কোয়েল ডিমে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, লাইসিনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড এবং নির্দিষ্ট মাত্রায় কোলেস্টেরল থাকে, যা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
কোয়েলর ডিমে রয়েছে এনার্জি ও খাদ্যশক্তি। এতে থাকা ভিটামিন এ আমাদের রাতকানা রোগ থেকে মুক্তি দেয়। এছাড়া শর্করা আমাদের দেহে শক্তি যোগায় এবং দেহকে সজাগ রাখে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনে ও সুস্থ রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাছাড়াও ডিম হলো ভিটামিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। একটি ডিমে প্রায় ১৫ থেকে ২০ ধরনের উপাদান পাওয়া যায়। (এইচডিএল) ভালো কোলেস্টেরল রক্তনালীর সুরক্ষা প্রদান করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমিয়ে হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি কমায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
কোয়েল পাখির ডিম খেলে আপনি বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে উপকার পেতে পারেন। এই ডিম ঠান্ডা লাগা, অ্যালার্জি ও অ্যাজমার উপশমে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এটি রক্তস্বল্পতা রোধ করে এবং উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। যাদের হৃদরোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা উপকারী হতে পারে।
এছাড়াও যাদের হজমশক্তি দুর্বল, কোয়েল পাখির ডিম তাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। কোয়েল ডিম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং কিডনির সমস্যাও কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এসব গুণের কারণে কোয়েল পাখির ডিমকে অনেকেই ‘সুপারফুড’ বলে থাকেন।
আরো পড়ুনঃ আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো একজন দক্ষ ও সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়া
কোয়েল পাখির ডিম একসঙ্গে কয়টি খাবেন
কোয়েল পাখির ডিম আকারে ছোট হওয়ায় অন্যান্য ডিমের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশি খাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। যারা সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক, তারা একসঙ্গে তিন থেকে পাঁচটি ডিম খেতে পারেন। তবে প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন খাওয়াই ভালো। কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সকল বয়সের মানুষের জন্য পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাদ্য। তাই ছোট বাচ্চাদেরও এই ডিম খাওয়ানো যেতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে, ১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের জন্য দিনে এক থেকে দুইটি কোয়েল ডিম খাওয়ানো নিরাপদ। অবশ্যই ডিম ভালোভাবে সিদ্ধ করে নিতে হবে। অন্যদিকে, শিশুর কোনো অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য প্রথমে অল্প পরিমাণ ডিম খাইয়ে পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।
শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিমের পরিমাণ চাইলে বাড়াতে পারেন। যেমন, পাঁচ থেকে বারো বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের দিনে তিনটি ডিম দেওয়া যেতে পারে। অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী মায়েরা দিনে দুই থেকে তিনটি কোয়েল ডিম খেতে পারেন। তবে এর বেশি ডিম না খাওয়াই ভালো।
কোয়েল পাখির ডিম কেন খাবেন
কোয়েল পাখির ডিমে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ লবণ, প্রোটিনসহ নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর উপাদান। কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা মুরগি ও হাঁসের ডিমের মতোই জনপ্রিয়। কোয়েলের ডিমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ অনেক বেশি, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি হজমশক্তি উন্নত করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
কোয়েলের ডিম সকল বয়সের মানুষের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ ও সহজলভ্য খাদ্য। এটি শিশুদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। কোয়েলের ডিম হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে এবং শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। কোয়েলের একটি ডিমে প্রায় চৌদ্দ ক্যালোরি থাকে, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। তাই কোয়েলের ডিম নিয়মিত খাওয়া উচিত, এতে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হয়।
কোয়েল পাখির ডিম কখন খাওয়া বেশি উপকার
কোয়েল পাখির ডিমের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। শীত মৌসুমে এই ডিম বেশি খাওয়া হয়, কারণ এটি শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে এবং শীতকালীন অসুখ কমায়। কোয়েল পাখির ডিম খেলে সর্দি–কাশি হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে। আপনি যদি শীতের প্রকোপ থেকে রেহাই পেতে চান, তাহলে কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা খেতে পারেন। এটি আপনার জন্য একটি উপযুক্ত পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাদ্য হতে পারে।
কোয়েলের ডিমে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন বি। তাই এই ডিম সকাল বা দুপুরে খাওয়া সবচেয়ে বেশি উপকারী। এতে সারা দিনের কাজ করার শক্তি পাওয়া যায় এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়। শিশুদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য—তাদের সকাল বা দুপুরে কোয়েলের ডিম খাওয়ানো ভালো। কোয়েলের ডিম শিশুদেরসহ আমাদের সবার স্মৃতিশক্তি বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
কোয়েলের ডিম কিভাবে খাবেন সিদ্ধ নাকি ভাজা
আমরা অনেকেই ডিম সিদ্ধ করে খেতে পছন্দ করি, আবার অনেকেই ডিম ভাজি করে খেতে ভালোবাসি। আজকে আপনাদের জানাচ্ছি, কোন ধরণের ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর ও শরীরের জন্য বেশি উপযুক্ত।
- সিদ্ধ ডিম
সিদ্ধ ডিম পুষ্টিগুণের দিক থেকে বেশি স্বাস্থ্যকর, কারণ এতে তেল বা অন্যান্য উপাদান যোগ হয় না। তাই এতে ক্যালোরি ও চর্বি কম থাকে এবং প্রোটিন ও ভিটামিনের প্রাকৃতিক উপাদান বেশি সুরক্ষিত থাকে। যদি আপনি ডিম থেকে সর্বোচ্চ পুষ্টি ও ভিটামিন উপাদান পেতে চান, তবে অবশ্যই সিদ্ধ ডিম খাওয়াই ভালো।
- ভাজা ডিম
ভাজা ডিমে ভিটামিনের পরিমাণ কম থাকে। এতে ভাজার সময় দেওয়া তেলের কারণে চর্বি ও ক্যালোরির পরিমাণ বেড়ে যায়, যা ওজন বৃদ্ধি এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অনেকে ডিম পোচ করে খান, আবার কিছু সময়ে স্বাদ বাড়ানোর জন্য মরিচ ও পেঁয়াজ দিয়ে ভাজেন। তবে পুষ্টির দিক থেকে সিদ্ধ ডিমই সর্বোত্তম।
কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকারক দিক
কোয়েলের ডিমের উপকার ও পুষ্টিগুণ যেমন আছে, তেমনি এর কিছু অপকারিতা বা ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে। তবে সব মানুষের জন্য এই ডিম উপকারী নাও হতে পারে। নিম্নে আমরা কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকারক দিকগুলো বিস্তারিত জানাচ্ছি।
কোয়েলের ডিম অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে আপনার স্বাস্থ্যে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের দেহে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি, তাদের জন্য ডিমের কুসুম খাওয়া উপযুক্ত নয়, কারণ এতে প্রচুর পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকে। এছাড়া দেহে এলার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার কারণে পেটের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
আরো পড়ুনঃ আমার বর্তমান বসবাসের ঠিকানা
এছাড়া কোয়েলের ডিমে এলার্জির সমস্যা খুবই কম দেখা যায়। তবে অতিরিক্ত ডিম খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। যদি এমন সমস্যা দেখা দেয়, অবশ্যই ভালো বাতাসযুক্ত স্থানে অবস্থান করা উচিত। এছাড়া অতিরিক্ত ডিম খেলে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই প্রয়োজনীয় পরিমাণে ডিম গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ, যেন কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়।
কোয়েল পাখির ডিম কখন পাওয়া যায়
কোয়েল পাখির ডিম মৌসুমভেদী নয়, অর্থাৎ এটি সারাবছর পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন সময়ে এই ডিমের চাহিদা বিশেষভাবে বৃদ্ধি পায়। শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে এবং শরীর সুস্থ রাখতে মানুষ প্রচুর পরিমাণ কোয়েল ডিম খায়। অন্যান্য ডিমের তুলনায় কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা এই সময়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠে।
যদি কোয়েল পাখি ঠিকমতো পরিচর্যা করা হয় এবং ভালো আলো, বাতাসসহ মানসম্মত পরিবেশে রাখা হয়, তবে এটি সারাবছর ডিম দিতে সক্ষম। সঠিক যত্নে কোয়েল পাখি প্রায় ৮ থেকে ১০ দিনে একবার ডিম দেয়। এটি বাণিজ্যিক খামারের জন্য খুবই লাভজনক, কারণ সাধারণ মানুষের চাহিদা মেটানো ছাড়াও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে উন্নতি সম্ভব।
কোয়েল পাখির ডিমের দাম
কোয়েল পাখির ডিমের দাম বর্তমান বাজারে, এক হালি ডিম: ১০-১২ টাকা, এক ডজন ডিম: ৩৫-৪০ টাকা। যদি পাইকারি বা কম খরচে ডিম কিনতে চান, তবে বেশি পরিমাণে ক্রয় করতে হবে। ১০ ডজন ডিমের দাম ৩০০-৩৫০ টাকা, ১০ হালি ডিমের দাম: ১০০-১২০ টাকা এবং ৫০ হালি ডিমের দাম: ৫০০-৬০০ টাকা। অর্থাৎ, কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা একটি ডিমের দাম ১ টাকা ৫০ পয়সা।
শেষ কথা
কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ উপকারিতায় ভরপুর একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এই ডিম আমরা সকল বয়সের মানুষ খেতে পারি। নির্দিষ্ট পরিমাণে খেলে এটি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে বেশি পরিমাণে ডিম খাওয়া উচিত নয়। কোয়েল ডিমে থাকা ভিটামিন দেহের জন্য কার্যকরী, তবে এর কিছু ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে। এগুলো মেনে চলা জরুরি।
তাই আমার মতে, যেহেতু কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সমস্ত প্রয়োজনীয় ভিটামিন সরবরাহ করে, তাই সঠিক নিয়ম মেনে সবারই এই ডিম খাওয়া উচিত। ডিমে থাকা আয়রন, ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম মানব দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনের সরবরাহেও সহায়ক। এই ডিম খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই, সঠিক নিয়ম মেনে কোয়েল পাখির ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা গ্রহণ করা উচিৎ।


.jpeg)
আইটি দুনিয়া ২৪-এ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url