অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন নিয়ম ও পেমেন্ট (২০২৬)

অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন  করার সহজ নিয়ম পেমেন্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আবেদন পদ্ধতি, ফি এবং কতদিন সময় লাগে সব বিস্তারিত সকল তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করা হলো।

অনলাইনে-এনআইডি-কার্ড-সংশোধন

এনআইডি কার্ডে ভুল হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। প্রায় অনেক মানুষেরই এই ভুল হয়ে থাকে। কিন্তু আগে যেমন সংশোধনের জন্য বিভিন্ন জায়গায় যেতে হতো, এখন অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন করা যায়।

পেজ সূচিপত্রঃ অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন

অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন 

অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে চাচ্ছেন? নাম সহ সংশোধনের বিষয় এই প্রশ্নের মধ্যে আমি আপনাদের সুন্দরভাবে আলোচনা সাপেক্ষে শিখিয়ে দেবো। কারণ জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্ট কার্ড বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি একটি পরিচয়পত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। দৈনন্দিন জীবনে এনআইডি কার্ডের গুরুত্ব অনেক বেশি। এটি ব্যবহার করা হয় সিম রেজিস্ট্রেশন, জমি বিক্রয়, জমি ক্রয়, চাকরির ক্ষেত্রে, সন্তানদের স্কুল-কলেজে ভর্তি করাতে, নগদ, বিকাশ ও রকেট খুলতে।

এছাড়া যেকোনো ক্ষেত্রে প্রত্যেক ধাপে ধাপে এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয়। বর্তমান বাংলাদেশ সরকার ১৮ বছর থেকে এনআইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান শুরু করেছে। নিজস্ব সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে গিয়ে সমস্ত তথ্য জমা দিতে হয় এবং কিছুদিন পর আমরা এনআইডি কার্ড হাতে পাই। এই এনআইডি কার্ড বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রমাণের প্রথম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। 

আরো পড়ুনঃ ইমাদ পরিবহন অনলাইন টিকিট কাটার নিয়ম ও বুকিং

তাই বুঝতেই পারছেন, এনআইডি কার্ডে যদি কোনো রকম ভুল তথ্য দেওয়া হয়, তাহলে এই সামান্য ভুল বড় ধরনের সমস্যার কারণ হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় অসাবধানতা বা ডাটা এন্ট্রি ভুলের কারণে জাতীয় পরিচয়পত্রে আপনার নাম, রক্তের গ্রুপ, পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ বা ঠিকানা ভুল হয়ে যায়। এমনকি কোনো নামের একটি অক্ষর যদি পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে সেটি বড় ধরনের ভুল হিসেবে বিবেচিত হয়।

কিন্তু এখন আর এসব ভুল নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনার যদি এনআইডি কার্ডে কোনো রকম ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আপনি ঘরে বসেই অনলাইন সেবার মাধ্যমে সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই আর্টিকেলের নিম্নাংশে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি সংশোধনের জন্য আবেদন করবেন। পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন এবং আমি যা বলছি সে অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করুন।

এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে

আপনি যদি এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে চান, তবে অবশ্যই এনআইডি কার্ড সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হয়, যা মূলত আপনার তথ্যকে সঠিক হিসেবে প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই ডকুমেন্টগুলো নির্বাচন কমিশন যাচাই করে দেখে আপনার দেওয়া তথ্যগুলো সঠিক কিনা। সাধারণত এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে প্রয়োজন হয় সাধারণ শিক্ষাগত সনদ, জন্ম নিবন্ধন এবং অন্যান্য চাকরির প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট।

  • আপনার যে ডকুমেন্টগুলো অবশ্যই প্রয়োজ্ন তা নিম্নে দেওয়া হলো:
  • আপনার এসএসসি বা সমমানের সনদপত্র 
  • জন্ম নিবন্ধন লাগবে।
  • আপনার পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন হতে পারে।
  • পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড লাগবে। এখানে অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনার এনআইডি কার্ড সংশোধনের আগে যদি পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডে কোনো ভুল থাকে, তাহলে অবশ্যই আগে পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড সংশোধন করে নেবেন। এরপর আপনারটা করুন। এতে আপনি সঠিক এনআইডি কার্ড পাবেন। 
  • এরপর লাগবে নিকাহনামা। আপনি যদি বিবাহিত হন, তাহলে বিবাহিত সনদপত্রের প্রয়োজন হবে।

তবে এই সকল ডকুমেন্টের মধ্যে পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড এবং জন্ম নিবন্ধন সনদ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি যে কোনো শ্রেণীর মানুষের জন্যই দরকারি। শিক্ষিত বা চাকরি করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য এসএসসি পাশের সনদপত্র অবশ্যই প্রয়োজন। এছাড়া আপনার ভুলের ধরন অনুযায়ী কাগজপত্র অতিরিক্ত বা ভিন্ন হতে পারে।

ঘরে বসে এনআইডি আজ সংশোধনের নিয়ম জেনে নিন

আগের মতো এখন আর এনআইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য কাউন্সিল বা উপজেলা অফিসে যেতে হয় না। ঘরে বসেই আপনি নির্ভুলভাবে এই এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন। এর জন্য আমি আপনাকে সুন্দরভাবে ধাপে ধাপে শিখিয়ে দেবো। যারা এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে চান, তারা অবশ্যই আমার বলে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী কাজটি করুন। এতে আপনাদের ভুল হবে না এবং সঠিকভাবে কাজটি করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও গুরুত্বপূর্ণ টিপস

  • অনলাইন এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে হলে আপনাকে প্রথমে প্লে স্টোরে গিয়ে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। প্লে স্টোরে গিয়ে আপনি “NID Wallet” লিখে সার্চ করুন। প্রথমেই যে অ্যাপটি আসবে, সেই অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
    অনলাইনে-এনআইডি-কার্ড-সংশোধন

  • এবার আপনি গুগল বা ক্রোমে গিয়ে “services nidw gov bd” লিখে সার্চ দিন। আমি আপনাদের সুবিধার্থে এখানেই লিংকটি যুক্ত করে দিলাম। আপনি চাইলে এই লিংকে ক্লিক করেও সেই একই ওয়েবসাইটে পৌঁছাতে পারেন। প্রথমে সেই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
  • এরপর সেখানে রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করুন। আপনারা যদি এনআইডি কার্ড অনলাইনে সংশোধন করতে চান, তাহলে আমি যেভাবে শিখিয়ে দিচ্ছি এভাবে কাজটি করলে খুব সহজ হবে এবং দ্রুত করতে পারবেন।
  • রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করার পর আপনার ফোন নম্বর অথবা এনআইডি নম্বর দিতে বলবে। এরপর জন্ম তারিখ সঠিকভাবে দেওয়া হলে নিচের দিকে জলছাপের মতো একটি কোড থাকবে। সেটি নিচে বসাতে হবে। বসানো হলে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। নিচে দেখিয়ে দিলামঃ
    অনলাইনে-এনআইডি-কার্ড-সংশোধন
  • এবার আপনার সামনে যে তথ্য ফর্ম আসবে তা এনআইডি কার্ড অনুযায়ী পূরণ করুন এবং পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
  • এখানে আপনি ফোন নম্বর পরিবর্তনও করতে পারবেন অথবা একই রাখতে পারবেন। অবশ্যই আপনার কাছে যে ফোন নম্বর আছে সেটি দিন এবং তথ্য পাঠান বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার কাছে একটি কোড আসবে। সেই কোডটি বসিয়ে দিন, তাহলে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে।
  • এবার বহাল বাটনে ক্লিক করুন। এখানে “TAP TO OPEN NID WALLET” এ ক্লিক করুন।
  • এবার যে অপশনটি আসবে তা হলো আপনার চেহারা স্ক্যান করতে হবে। তাই আপনি “START FACE SCAN” বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার সামনে ক্যামেরা অন হয়ে যাবে। এখন আপনার মুখ সোজা করে এবং ডানে-বামে ও উপরে মাথা ঘুরিয়ে ফেস স্ক্যান করুন। স্ক্যান সম্পন্ন হলে ওকে বাটনে ক্লিক দিন।
  • এখানে আপনার একটি ছবিসহ ইনফরমেশন দেখাবে। এখান থেকে যেকোনো একটি বাটনে ক্লিক করুন।
  • তার ছবি ও ডিটেইলস সব চলে আসবে। এখানে আপনি প্রোফাইলে ক্লিক করে আপনার সমস্ত ইনফরমেশনগুলো পরিবর্তন করতে পারবেন। এর জন্য এডিট বাটনে ক্লিক দিন এবং পরবর্তী ধাপে এগিয়ে ক্লিক করুন। এখন আপনার যা যা পরিবর্তন করা দরকার, তা করতে পারেন।
  • সংশোধিত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কিনা একবার দেখে নিন। সঠিক থাকলে উপরের দিকে মিসকল করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
  • পরবর্তী ধাপে জানানো হবে, এখানে এনআইডি সংশোধন করার জন্য আপনাকে ফি দিতে হবে। এটি আপনি নিজের বিকাশ, রকেট বা নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে পরিশোধ করতে পারবেন। অথবা অন্য কোনো বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকেও পেমেন্ট করিয়ে নিতে পারবেন।
  • এর জন্য আপনি বিকাশ অ্যাপে যান। “পেমেন্ট” অপশনে ক্লিক করুন। এবার নিচের দিকে স্ক্রল করলে দেখতে পাবেন “NID Service সরকারি ফি” লেখা আছে, সেখানে ক্লিক দিন। এরপর “NID Info” সিলেক্ট করুন।
  • এখানে আপনাকে এনআইডি নম্বর দিতে বলবে। আইডি নম্বরটি সঠিকভাবে দিন এবং “OK” এ ক্লিক করুন। তাহলে অনলাইন এনআইডি সংশোধনের ফি দেখাবে, যা সাধারণত ২৩০ টাকা। এখানে ক্লিক করে পরের ধাপে যান এবং বিকাশের পিন নম্বর দিন ও তীর চিহ্নে ক্লিক করুন। ব্যাস, তাহলে আপনার টাকা পেমেন্ট সম্পন্ন হয়ে যাবে।
  • এবার আবার সেই সরকারি ওয়েবসাইটে আসুন। টাকা এড না দেখালে রিফ্রেশ করে নিন। ড্রাফটে ক্লিক করুন। এবার এডিট বাটনে যান। যে ইনফরমেশনটি সংশোধন করেছিলেন, সেইখানের টিক চিহ্নটি তুলে নিন। এরপর পরবর্তী বাটনে যান। আবেদনের ধরন সিলেক্ট করুন (জাতীয় পরিচয়পত্র)। বিতরণের ধরন রেগুলার বা স্মার্ট নির্বাচন করুন।
  • এখন আপনি পরবর্তী বাটনে যান এবং অ্যাডমিট কার্ড দিন। ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে অ্যাডমিট ফটো দেওয়া হলে সবগুলো তথ্য এখান থেকে সংশোধন করতে পারবেন। এবার সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন এবং ডাউনলোড করে নিন। তাহলে পিডিএফ হয়ে যাবে। এটি অবশ্যই প্রিন্ট করে রাখবেন।
  • এনআইডি কার্ড সংশোধন হলো কিনা তা আপনাকে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা আপনাকে অফিসে যেতে বলতে পারেন। তখন ডাউনলোড করা প্রিন্ট কপি ও এনআইডি কার্ড অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে যাবেন।
  • আমি যেভাবে প্রত্যেকটি ধাপ উল্লেখ করেছি, সেভাবে যদি করেন তাহলে আপনি অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনে সফল হবেন। কারণ আমি এই একই নিয়মে এনআইডি কার্ড সংশোধন করেছি।

অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে

আপনি এনআইডি কার্ড সংশোধনের ফর্ম অনলাইনে জমা দেওয়ার পর সাধারণত তিন মাসের মধ্যে এটি সম্পন্ন হয়ে যায়। অর্থাৎ, আপনার নতুন এনআইডি কার্ড প্রস্তুত হয়। তবে এটি সরকারি কর্মকর্তাদের কাজের ওপর নির্ভর করে। অতিরিক্ত কাজের চাপ থাকলে কিছুটা সময় বেশি লাগতে পারে।

আপনার আইডি তাদের হাতে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আপনাকে এসএমএসের মাধ্যমে জানাবে। সেখানে উল্লেখ থাকবে, যদি আপনার আরও কোনো ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় বা অন্য কোনো তথ্য দরকার হয়, তাহলে তা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। সাধারণত এসএমএসটি ১০৫ নম্বর থেকে আসে।

আরো পড়ুনঃ খাবারে অরুচি ও বমি বমি ভাব কোন রোগের লক্ষণ

কিন্তু যদি দেখেন অতিরিক্ত বেশি সময় লাগছে, তাহলে আপনি অবশ্যই ১০৫ নম্বরে ফোন দিয়ে আপনার সংশোধনী ফাইলের বিষয়ে জানাবেন। তাহলে তারা দ্রুত আপনাকে জানিয়ে দেবে, আর কোনো ডকুমেন্ট লাগবে কিনা বা কী সমস্যা হয়েছে। এতে আপনি দ্রুত অনলাইনের মাধ্যমে এনআইডি কার্ড সংশোধন সম্পন্ন করতে পারবেন।

শেষ কথাঃ অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন

অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন করার উপায়সমূহ আমি আপনাদের উপকারের জন্য সুন্দরভাবে এই আর্টিকেলের মধ্যে উল্লেখ করেছি। অনলাইনে আবেদন কেন করবেন, আবেদন করতে কী কী লাগে, কীভাবে আবেদন করতে হয় এবং আবেদনের পর কতদিন অপেক্ষা করবেন-এসব বিষয় এখানে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও, অপেক্ষার পর যদি এনআইডি কার্ড সংশোধন না হয়, তাহলে কী করবেন সে বিষয়েও আমরা উল্লেখ করেছি। আপনাদের সহজে ও সুন্দরভাবে বোঝানোর জন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। আপনি যদি নিয়ম মেনে চেষ্টা করেন, তাহলে অবশ্যই সফল হবেন-এটাই আশা করা যায়।

আমার মতে, আপনি চেষ্টা করুন-পারবেন। কারণ আমিও এই একই নিয়মে এনআইডি কার্ড সংশোধন করেছি, সেহেতু আপনিও পারবেন। আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে এই পোস্টটি আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম। যদি পোস্টটি আপনার ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই অন্যদের সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দিন। আর যদি কোনো পরামর্শ নেওয়ার থাকে, তাহলে কমেন্ট করে জানান।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আইটি দুনিয়া ২৪-এ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url