রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী টিকিট ও ভাড়া ২০২৬

রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া, রুট ম্যাপ, স্টপেজ, টিকিট বুকিং নিয়ম, রাজশাহী থেকে খুলনার দূরত্ব, আসন সুবিধা, নাম ভুল হওয়া এবং ট্রেন ভ্রমণের গুরুত্ব সম্পর্কে এই আর্টিকেলে সম্পূর্ণ গাইড দেওয়া হলো।
রাজশাহী-থেকে-খুলনা-ট্রেনের-সময়সূচী

আপনি যদি ট্রেনের বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য জানতে চান, তাহলে অবশ্যই এই পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং অজানা তথ্যগুলো সংগ্রহ করুন। আপনাদের সুবিধার্থে এবং উপকারের কথা বিবেচনা করেই এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে।

সূচীপত্রঃ রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী  

রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী  

রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী বিস্তারিত এই আর্টিকেলের মধ্যে রাখা হবে। আপনি কি রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এখানে আপনি পাবেন রাজশাহী টু খুলনা ট্রেনের নাম, সময়সূচী, টিকিটের মূল্য, স্টপেজ, ভ্রমণের সময়, টিকিট কাটার নিয়মসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

রাজশাহী থেকে খুলনা রুটটি বাংলাদেশে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করে। এই যাত্রাপথে কয়েকটি স্টেশনে ট্রেন থামে। কোন স্টেশনে থামে, কখন ট্রেন ছাড়ে-এই সমস্ত তথ্য জানা অবশ্যই জরুরি। তাই ভ্রমণের আগে সঠিক তথ্য জানার জন্য এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
খুলনা থেকে রাজশাহী রুটে নির্দিষ্ট কিছু আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। নিচে সেই ট্রেনগুলোর সময়সূচি দেওয়া হলো-
ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় সময় লাগ স্টপেজ
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ১২:৩০ PM ৩:৪০ PM ৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট আছে
সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ৭:৫৫ AM ১২:৪২ PM ৩ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট ২টি
মহানন্দা এক্সপ্রেস ( মেইল ট্রেন) ৭:৫৫ AM ৪:৪০ PM ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট ৩টি
এরপর মাল্টিপল ট্রেনগুলো নির্দিষ্ট নয়। তাই আপনার সুবিধার্থে নিচে ট্রেনগুলোর নাম, সময়, যাত্রার সময়কাল এবং স্টপেজসহ সব তথ্য তুলে ধরা হলো। তবে সময়ভেদে ট্রেনের নাম ও সময় পরিবর্তিত হতে পারে, কারণ এই ট্রেনগুলো নির্দিষ্ট নয়।
ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় সময় লাগে স্টপেজ
চুয়াডাঙ্গা ট্রেন ১২:৩০ PM ৩:৪০ PM ৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট আছে
রাজশাহী এক্সপ্রেস ১০:৩০ AM ১:৪৫ PM ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট নেই
রূপসা এক্সপ্রেস ২:০০ PM ৬:২৫ PM ৪ ঘণ্টা ২৫ মিনিট ১০টি
টুংগীপাড়া এক্সপ্রেস ৩:৩০ PM ৫:২০ PM ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিট ২টি
পোড়াদহ এক্সপ্রেস ৫:২০ PM ৭:০২ PM ১ ঘণ্টা ৪২ মিনিট
রকেট ট্রেন ৭:০২ PM ১১:৪৫ PM ৪ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট ২টি
রাজশাহী লোকাল ৭:০০PM ১:৪০ AM ৬ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ৬টি
সীমান্ত ট্রেন ১১:৪০ AM ৪:৩০ PM ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট ১টি

রাজশাহী থেকে খুলনাগামী ট্রেনের রুট ম্যাপ

রাজশাহী থেকে খুলনাগামী ট্রেনের রুট ম্যাপ যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রথমেই আমাদের জানা প্রয়োজন, তা হলো ট্রেন কোন রুটে চলাচল করে এবং কোথায় কোথায় স্টপেজ রয়েছে। রাজশাহী থেকে খুলনাগামী প্রধান তিনটি ট্রেন হলো কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস এবং মহানন্দা এক্সপ্রেস। নিচে এই ট্রেনগুলোর রুট ম্যাপ তালিকা আকারে দেওয়া হলো।
রুট ম্যাপঃ
  • রাজশাহী
  • আব্দুলপুর
  • ঈশ্বরদী জংশন
  • ভেড়ামারা
  • পোড়াদহ
  • আলমডাঙ্গা
  • চুয়াডাঙ্গা
  • দর্শনা
  • কোটচাঁদপুর
  • যশোর
  • নওয়াপাড়া
  • খুলনা
তবে সব ট্রেন প্রতিটি স্টেশনে থামে না; ট্রেনভেদে স্টপেজ ভিন্ন হতে পারে।

ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম ও পেমেন্ট সম্পন্ন

ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম। ট্রেনে ভ্রমণের জন্য টিকিট কাটা অবশ্যই প্রয়োজন। এজন্য আপনাকে নির্দিষ্ট রুট ও সময়সূচি আগে থেকেই দেখে নিতে হবে। উপরের রুট ম্যাপ ও সময়সূচি তালিকা থেকে আপনি সহজেই এই তথ্যগুলো জেনে নিতে পারবেন। আপনি চাইলে খুব সহজেই ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট বুকিং করতে পারবেন। এছাড়াও আপনার নিকটস্থ রেলওয়ে স্টেশন থেকে সরাসরি কাউন্টার থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা যায়।


অনলাইনে টিকিট বুকিং করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ বা ভ্যাট প্রযোজ্য হতে পারে। তবে কাউন্টার থেকে টিকিট কাটলে সাধারণত এই অতিরিক্ত চার্জ দিতে হয় না। আপনি যদি অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে টিকিট কাটতে চান কিন্তু নিয়ম না জানা থাকে, তাহলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে ধাপে ধাপে নিয়ম অনুসরণ করুন। আমি নিজেও এভাবেই টিকিট বুকিং করি এবং আমার অভিজ্ঞতা সহজভাবে এখানে তুলে ধরেছি। ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও গুরুত্বপূর্ণ টিপস  
  • এখানে আপনি জানতে পারবেন-
  • কিভাবে টিকিট বুকিং করবেন
  • রেজিস্ট্রেশন না করা থাকলে কীভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন
সময়মতো পেমেন্ট 

আপনি চাইলে সরাসরি সরকারি ওয়েবসাইট থেকেও টিকিট বুকিং করতে পারেন। ওয়েবসাইট লিংক  eticket.railway.gov.bd এছাড়াও, বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও টিকিট কাটা সম্ভব। মোবাইল অ্যাপ লিংক Rail Sheba আপনার সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সব লিংক এই আর্টিকেলের মধ্যে দেওয়া হয়েছে।সাধারণত আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইনে সহজে পাওয়া যায়, তবে অন্যান্য ট্রেনের টিকিট অনেক সময় শুধুমাত্র কাউন্টার থেকেই সংগ্রহ করতে হয়। কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার জন্য আপনাকে সরাসরি রেলওয়ে স্টেশনে যেতে হবে। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-আগে গেলে টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

রাজশাহী থেকে খুলনা দূরত্ব কত কিলোমিটার

রাজশাহী থেকে খুলনা দূরত্ব কত কিলোমিটার যাতায়াতের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই দুই শহরের দূরত্ব জানা। দূরত্ব সম্পর্কে ধারণা থাকলে আপনি সহজেই পরিকল্পনা করতে পারবেন-আপনি রেলপথে যাবেন নাকি সড়কপথে, এবং কোন পথে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব। এছাড়াও, ভ্রমণ পরিকল্পনার জন্য এই তথ্য জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। তাহলে এবার রাজশাহী থেকে খুলনার দূরত্ব জেনে নিন-
  • রেলপথে দূরত্ব: প্রায় ২৬৩ কিলোমিটার
  • সড়কপথে দূরত্ব: প্রায় ২৫৫ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার (রুটভেদে ভিন্ন হতে পারে)

কোন ট্রেনটি আপনার জন্য ভালো

কোন ট্রেনটি আপনার জন্য ভালো ট্রেনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে তা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সঠিক ট্রেন নির্বাচন করলে আপনি দ্রুত, আরামদায়ক ও ঝামেলামুক্তভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। তবে ট্রেনের ভালো-মন্দ নির্ভর করে আপনার যাতায়াতের সময়, বাজেট এবং প্রয়োজনের উপর। আপনি কখন যাত্রা করবেন, কত খরচ করতে চান এবং কত দ্রুত পৌঁছাতে চান-এই বিষয়গুলো বিবেচনা করেই ট্রেন নির্বাচন করা উচিত। নিচে বিভিন্ন প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু ট্রেনের পরামর্শ দেওয়া হলো-রাজশাহী-থেকে-খুলনা-ট্রেনের-সময়সূচী
  • আরামদায়ক যাত্রার জন্যঃ দ্রুত এবং আরামদায়কভাবে ভ্রমণ করতে চাইলে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস আপনার জন্য ভালো একটি অপশন। এই ট্রেনটি তুলনামূলকভাবে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
  • সকালবেলার যাত্রার জন্যঃ সকালবেলা যাত্রা করতে চাইলে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস একটি উপযুক্ত ট্রেন। জরুরি কাজে সকালে যাত্রার জন্য এটি বেশ সুবিধাজনক।
  • কম খরচে যাত্রার জন্যঃ যদি কম খরচে বা বাজেটের মধ্যে ভ্রমণ করতে চান, তাহলে মহানন্দা এক্সপ্রেস (মেইল ট্রেন) আপনার জন্য ভালো অপশন।
মহানন্দা এক্সপ্রেসের শোভন শ্রেণীর ভাড়া সাধারণত ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। তবে সময়ভেদে ভাড়া কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

ট্রেনের আসন ও অন্যান্য সুবিধাগুলো কী

ট্রেনের আসন ও অন্যান্য সুবিধাগুলো কী? অনেকেই জানতে চান ট্রেনে ভ্রমণ অন্যান্য যানবাহনের তুলনায় কতটা আরামদায়ক। আসলে ট্রেনে ভ্রমণ বেশ স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ, কারণ এখানে আপনি নিজের পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের আসন নির্বাচন করতে পারেন। নিচে ট্রেনের আসন ও অন্যান্য সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো-

  • এসি (AC)ঃ যদি আপনি আরামদায়ক ও নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে চান, তাহলে এসি আসন আপনার জন্য উপযুক্ত। এতে যাত্রা অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়।
  • নন-এসি (Non-AC)ঃ আপনি যদি কম খরচে বা স্বল্প দূরত্বে ভ্রমণ করতে চান, তাহলে নন-এসি আসন ভালো একটি অপশন। এখানে সাধারণত প্রতিটি বগিতে ফ্যানের ব্যবস্থা থাকে।
  • খাবারের ব্যবস্থাঃ ট্রেনে অনেক সময় খাবারের ব্যবস্থা থাকে। কিছু ট্রেনে ভেতরে খাবার বিক্রি করা হয় বা হকারদের মাধ্যমে খাবার পাওয়া যায়। যাত্রাপথে প্রয়োজনে আপনি টাকা দিয়ে খাবার কিনে খেতে পারেন, যা অনেক যাত্রীর জন্য সুবিধাজনক।
  • চার্জিং পোর্টঃ অনেক ট্রেনে চার্জিং পোর্টের ব্যবস্থা থাকে। এর মাধ্যমে আপনি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ইত্যাদি সহজেই চার্জ দিতে পারেন।
  • নামাজের ব্যবস্থাঃ দীর্ঘ যাত্রার ক্ষেত্রে অনেক ট্রেনে নামাজের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা বা সুবিধা রাখা হয়, যাতে মুসলিম যাত্রীরা সহজে নামাজ আদায় করতে পারেন।
  • ওয়াশরুমঃ প্রতিটি ট্রেনে যাত্রীদের জন্য প্রতিটি বগিতে ওয়াশরুমের ব্যবস্থা থাকে। এটি ব্যবহার করতে আলাদা কোনো খরচ দিতে হয় না।
  • হকার সুবিধাঃ প্রায় সব ট্রেনেই হকাররা বিভিন্ন পণ্য নিয়ে ঘোরেন। তারা খাবারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করেন, ফলে যাত্রাপথে প্রয়োজনীয় জিনিস সহজেই কিনতে পারেন।

কতদিন আগে টিকিট বুকিং করা ভালো

কতদিন আগে টিকিট বুকিং করা ভালো? ট্রেনের টিকিট সাধারণত সরকারি রেলওয়ে সিস্টেম থেকে প্রায় ১০ দিন আগে থেকে ছাড়া হয়। আপনার সুবিধা ও আসন পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানোর জন্য সাধারণত ৫ থেকে ৭ দিন আগে টিকিট বুকিং করা ভালো। এতে সিট পাওয়া নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে হয় না এবং আপনি নিশ্চিন্তে ভ্রমণ করতে পারেন।
বিশেষ কিছু ছুটির দিনে যেমন ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং দুর্গাপূজার সময় টিকিট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

এসব সময়ে অনেক সময় টিকিট ছাড়ার ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই সব বুকিং শেষ হয়ে যায়। তাই এই সময়গুলোতে চেষ্টা করবেন টিকিট ছাড়ার ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই বুকিং সম্পন্ন করতে। অনেক যাত্রী শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন বা টিকিট পান না। বিশেষ করে ছুটির মৌসুমে এই সমস্যা বেশি হয়। তাই সর্বোত্তম হলো অন্তত ৫ থেকে ৭ দিন আগে টিকিট বুকিং করা।

ভুল সময়ে স্টেশনে যাওয়া ও নাম ভুল করা

ভুল সময়ে স্টেশনে যাওয়া ও নাম ভুল করার আগে করণীয় জেনে নিন। রাজশাহী থেকে খুলনা রুটে ভ্রমণের সময় অনেক যাত্রী একটি সাধারণ ভুল করে থাকেন-ট্রেনের চলাচলের দিন না জেনে স্টেশনে চলে যাওয়া। এতে দেখা যায়, যেদিন স্টেশনে গিয়েছেন সেদিন ট্রেন চলাচলই করে না, ফলে সময় ও কষ্ট দুটোই নষ্ট হয়। 
  • ট্রেনের off day না জেনে স্টেশনে যাওয়া
  • টিকিটের সঠিক যাত্রার তারিখ না দেখা
রাজশাহী-থেকে-খুলনা-ট্রেনের-সময়সূচী
সমাধানঃ
  • ট্রেনের কোন দিন বন্ধ থাকে তা আগে থেকে খোঁজ নিন
  • অথবা টিকিটের যাত্রার তারিখ দেখে স্টেশনে পৌঁছান। এভাবে চললে আপনার যাত্রা সহজ ও ঝামেলামুক্ত হবে।
ভুল নাম দেয়া থেকে বিরত থাকার উপায়ঃ
ভুল নাম দেয়া থেকে বিরত থাকার উপায়। অনলাইনে টিকিট কাটার সময় অনেকেই তাড়াহুড়া করে ভুল তথ্য দিয়ে ফেলেন। এতে পরে টিকিট যাচাই করার সময় সমস্যায় পড়তে হয়। তাই টিকিট কাটার আগে আপনার নাম, মোবাইল নম্বর এবং আইডি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নিন। এবং কনফার্ম করার আগে আরেকবার সব তথ্য চেক করুন। এতে আপনি নির্ভুলভাবে ট্রেনের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। ছোট ছোট বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে আপনার যাত্রা সহজ হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় ট্রেনের সময়সূচি ও ভাড়া পরিবর্তন করতে পারে। তাই ভ্রমণের আগে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য যাচাই করে নেবেন।

কেন ট্রেনে ভ্রমণ করবেন ও কিছু প্রশ্ন

কেন ট্রেনে ভ্রমণ করবেন আমার মতে ট্রেন ভ্রমণ নিরাপদ, আরামদায়ক এবং সাশ্রয়ী একটি মাধ্যম। ট্রেনে যাত্রার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, ফলে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা থাকে। এছাড়াও ট্রাফিক জ্যামের কোনো ঝামেলা থাকে না, তাই যাত্রা হয় আরও স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ। ট্রেন অন্যান্য যানবাহনের তুলনায় তুলনামূলকভাবে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য, তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানো সহজ হয়।


তাই আমি আপনাকে পরামর্শ দেব-যদি আপনার যাত্রা দীর্ঘ হয়, তাহলে নিজের নিরাপত্তা ও আরামের কথা বিবেচনা করে অবশ্যই ট্রেনে ভ্রমণ করুন। কারণ ট্রেনে যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা ও সেবার ব্যবস্থা থাকে, যা যাত্রাকে আরও সহজ ও আরামদায়ক করে তোলে।
  • রাজশাহী থেকে খুলনা যাওয়ার নির্দিষ্ট ট্রেন কয়টি?
  • উত্তর: রাজশাহী থেকে খুলনা রুটে সাধারণত প্রধান আন্তঃনগর তিনটি ট্রেন চলাচল করে। সেগুলো হলো-
  • কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস
  • সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস
  • মহানন্দা এক্সপ্রেস (মেইল ট্রেন)
  • রাজশাহী থেকে খুলনা যাওয়ার লোকাল ট্রেন আছে কি?
  • উত্তর: হ্যাঁ, এই রুটে কয়েকটি লোকাল ও মেইল ট্রেন চলাচল করে।
  • সবচেয়ে কম ভাড়া কোন ট্রেনে?
  • উত্তর: শোভন শ্রেণীর ভাড়া সাধারণত তুলনামূলক কম থাকে (প্রায় ১২০-১৫০ টাকার কাছাকাছি হতে পারে), তবে সময় ও শ্রেণিভেদে ভাড়া পরিবর্তিত হয়।
  • অনলাইনে টিকিট পাওয়া যায় কি?
  • উত্তর: হ্যাঁ, আন্তঃনগর (Intercity) ট্রেনের টিকিট সাধারণত অনলাইনে পাওয়া যায়। তবে কিছু লোকাল বা মেইল ট্রেনের টিকিট শুধুমাত্র কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করতে হয়।

শেষ কথাঃ রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী

রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী, টিকিট মূল্য ও ভাড়ার বিস্তারিত এই আর্টিকেলে তুলে ধরা হয়েছে। যারা পুরো আর্টিকেলটি পড়েছেন, তারা ইতোমধ্যে রাজশাহী থেকে খুলনা রুটের ট্রেনের সময়, ভাড়া, রুট ম্যাপ, স্টপেজ, সাপ্তাহিক ছুটি, টিকিট কাটার নিয়ম, কতক্ষণ আগে স্টেশনে পৌঁছাতে হবে এবং কতদিন আগে টিকিট কাটলে ভালো হয়-এসব বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছেন।

আমার মতে, আপনি যদি পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন, তাহলে রাজশাহী থেকে খুলনা ট্রেন ভ্রমণ নিয়ে আপনার আর কোনো প্রশ্ন থাকার কথা নয়। তবে এরপরও যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানাতে পারেন। আর পোস্টটি যদি আপনার জন্য উপকারী হয়, তাহলে কমেন্টে ধন্যবাদ জানাতে পারেন অথবা আপনার বন্ধু ও পরিচিতদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আইটি দুনিয়া ২৪-এ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url